ই-কমার্স MLM প্ল্যান হলো এমন একটি ব্যবসায়িক ব্যবস্থা যেখানে বাস্তব পণ্য বিক্রি, অনলাইন অর্ডার, পেমেন্ট এবং ডেলিভারি— এই পুরো ই-কমার্স ফ্লোর সাথে একই সিস্টেমে যুক্ত থাকে MLM কমিশন ইঞ্জিন। সদস্যরা নিজের প্রয়োজন অনুযায়ী পণ্য কিনতে পারে, আবার পণ্য শেয়ার/রেফার করে বিক্রি বাড়াতে পারে; ফলে রিপারচেজ ও টিম পারফরম্যান্স থেকে ধাপে ধাপে আয় তৈরি হয়।
পণ্য ক্যাটালগ কার্ট/চেকআউট রিপারচেজ ভলিউম ওয়ালেট ক্যাশব্যাক/পয়েন্ট রিয়েল-টাইম রিপোর্টইউজার শপে পণ্য ব্রাউজ করে, কার্টে যোগ করে এবং চেকআউট সম্পন্ন করে অর্ডার করে। অর্ডার তথ্য, ডেলিভারি ঠিকানা, কুপন/ডিসকাউন্ট এবং পেমেন্ট স্ট্যাটাস একইসাথে সংরক্ষিত হয়।
অর্ডার কনফার্ম/ডেলিভারি অনুযায়ী BV/PV/Point বা আপনার নির্ধারিত ভলিউম তৈরি হয়। এই ভলিউমই ভবিষ্যৎ কমিশনের ভিত্তি।
প্ল্যান রুলস অনুযায়ী কমিশন স্বয়ংক্রিয়ভাবে হিসাব হয় এবং সদস্যের ওয়ালেটে যোগ হয়। একইসাথে ক্যাশব্যাক/পয়েন্ট থাকলে সেটাও ক্রেডিট হয়।
প্রতিটি অর্ডার, কমিশন, ক্যাশব্যাক, ওয়ালেট ট্রানজ্যাকশন এবং স্ট্যাটাস পরিবর্তনের লগ থাকে—যাতে হিসাব পরিষ্কার এবং ট্র্যাকযোগ্য হয়।
এই মডেলে আয় টেকসই হয় কারণ বিক্রি “বাস্তব কেনাকাটা” থেকে আসে। নিয়মিত রিপারচেজ বাড়লে ব্যবসার সেলসও বাড়ে, কমিশনও বাড়ে।
প্রোডাক্ট বিক্রি, টিম ভলিউম, ওয়ালেট এবং কমিশন রিপোর্ট—সবকিছু এক ড্যাশবোর্ডে দেখা ও নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
.png)
আলাদা আলাদা সিস্টেম না রেখে এক প্ল্যাটফর্মে শপিং এবং কমিশন একত্রে থাকলে অর্ডার থেকে কমিশনে যাওয়ার ফ্লো স্বয়ংক্রিয় হয়। মেম্বাররা নিজের অর্ডার হিস্ট্রি, পয়েন্ট, ক্যাশব্যাক ও ইনকাম একই জায়গায় পায়।
কুপন, অফার, সিজনাল ক্যাম্পেইন বা ফ্ল্যাশ সেল চালিয়ে রিপারচেজ ও কনভার্সন সহজে বাড়ানো যায়।
.jpg)
বাংলাদেশে অনলাইন শপিং ও হোম ডেলিভারির অভ্যাস দ্রুত বাড়ছে। মোবাইল ব্যাংকিং, অনলাইন পেমেন্ট, কুরিয়ার নেটওয়ার্ক এবং সোশ্যাল সেলিং—সবকিছু মিলিয়ে ই-কমার্স MLM প্ল্যান বাস্তবে দ্রুত স্কেল করা যায়।
ডেইলি ইউজ পণ্য, গ্রোসারি, পার্সোনাল কেয়ার, হেলথ, ফ্যাশন বা সাবস্ক্রিপশন আইটেম—এসব ক্যাটাগরিতে রিপারচেজ স্বাভাবিকভাবেই বেশি থাকে।
সদস্য নিজে বিক্রি করলে বা শেয়ার/রেফার থেকে অর্ডার এলে বিক্রয় মার্জিন ভিত্তিক আয় হতে পারে।
টিমের মোট কেনাকাটা থেকে ভলিউম তৈরি হয় এবং প্ল্যান অনুযায়ী ধাপে ধাপে কমিশন হিসাব হয়।
নির্দিষ্ট নিয়মে অর্ডারে ক্যাশব্যাক/পয়েন্ট যোগ হয়ে ভবিষ্যৎ কেনাকাটায় ব্যবহার করা যায়—এতে রিপারচেজ বাড়ে।
মাসিক বিক্রি বা টিম টার্গেট পূরণ হলে বিশেষ বোনাস বা ইনসেনটিভ যুক্ত করা যায়।
আউটলেট বা পিক-আপ পয়েন্ট থাকলে তাদের জন্য আলাদা মার্জিন/কমিশন সেট করা যায়, যাতে অনলাইন-অফলাইন একসাথে কাজ করে।
ই-কমার্স MLM সিস্টেমে অর্ডার-কমিশন-ওয়ালেট—এই তিনটি অংশ একদম সঠিকভাবে ইন্টিগ্রেট না হলে হিসাবে গ্যাপ তৈরি হয়। আমরা পণ্য ম্যানেজমেন্ট, স্টক, ইনভয়েস, কমিশন ক্যালকুলেশন, ওয়ালেট ট্রানজ্যাকশন এবং রিপোর্টিংকে একসাথে এমনভাবে ডিজাইন করি, যাতে ব্যবসা বড় হলেও সিস্টেম দ্রুত, নিরাপদ এবং ট্র্যাকযোগ্য থাকে।
আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী রিপারচেজ রুলস, পয়েন্ট সিস্টেম, অফার কনফিগারেশন, পেমেন্ট গেটওয়ে, ডেলিভারি স্ট্যাটাস এবং অ্যাডমিন কন্ট্রোল—সবকিছু কাস্টমাইজ করা সম্ভব।