ক্রিপ্টো ভিত্তিক প্ল্যান মূলত তিনটা জায়গায় শক্তিশালী হতে হয়—(১) ওয়ালেট ও লেজার, (২) ট্রান্সঅ্যাকশন/অ্যাকশন ফ্লো (যেমন Buy/Sell/Exchange), (৩) টিম-ভিত্তিক কমিশন ও অডিট রিপোর্ট। এই তিনটি ঠিকভাবে সেটআপ করলে অপারেশন কন্ট্রোল্ড থাকে, রিপোর্টিং পরিষ্কার হয়, এবং ব্যবহারকারীর আস্থা তৈরি হয়।
ক্রিপ্টো মার্কেট ওঠানামা করে। তাই সফটওয়্যারে রুল-ভিত্তিক কন্ট্রোল, পরিষ্কার স্টেটমেন্ট, ট্রান্সঅ্যাকশন হিস্ট্রি, এবং রিস্ক সেটিংস রাখা খুব গুরুত্বপূর্ণ—যাতে ব্যবহারকারী বুঝতে পারে কীভাবে হিসাব হচ্ছে।
এই ধরনের প্ল্যাটফর্মে “লেজার” হলো মূল সত্য। ব্যালেন্স, ফি, কমিশন, সেটেলমেন্ট—সবকিছু লেজার থেকে প্রমাণযোগ্য না হলে ডিসপিউট বাড়ে। তাই প্রতিটি অ্যাকশনের জন্য পরিষ্কার হিস্ট্রি, রেফারেন্স আইডি এবং রিপোর্টিং থাকা জরুরি।
সিস্টেমের প্রতিটি Buy/Sell/Exchange অপারেশন একটি নির্দিষ্ট ফ্লো অনুসরণ করে—রিকোয়েস্ট, ভেরিফাই, ফি ক্যালকুলেশন, এক্সিকিউশন, এবং শেষে স্টেটমেন্ট আপডেট। ফ্লো স্ট্যান্ডার্ড হলে অডিট রিপোর্ট শক্তিশালী হয় এবং অপারেশন কন্ট্রোলড থাকে।
শুধু ডিপোজিট নয়—ভলিউম, অ্যাকশন টাইপ, রুল কন্ডিশন, এবং অ্যাকটিভ স্ট্যাটাস মিলিয়ে কমিশন ক্যালকুলেশন হয়। এতে কোম্পানি চাইলে প্রমো ক্যাম্পেইন, টার্গেট বোনাস, এবং পারফরম্যান্স রিওয়ার্ড যুক্ত করে প্ল্যানকে আরও বাস্তবসম্মত করতে পারে।
KYC/ডকুমেন্ট ভেরিফিকেশন, উইথড্র লিমিট, রিস্ক রুল, অ্যাকশন লিমিট, এবং অডিট লগ—এসব কন্ট্রোল থাকলে প্ল্যাটফর্ম আরও পেশাদার হয়। সফটওয়্যার লেভেলে কন্ট্রোল থাকলে ভুল ও অপব্যবহার কমে।
ওয়ালেট, ট্রান্সঅ্যাকশন ফ্লো, কমিশন সেটিংস, উইথড্র পলিসি, রিপোর্টিং—সবকিছু আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী কনফিগার করা যাবে। চাইলে আলাদা রোল-বেইজড অ্যাডমিন কন্ট্রোল, লিমিট পলিসি এবং অডিট রিপোর্টও যোগ করা হবে।